গোপালগঞ্জ জেলা | Gopalganj district (Dhaka division)🇧🇩
Gopalganj district
গোপালগঞ্জ জেলা
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস। অতীতের রাজগঞ্জ বাজার আজকের জেলা শহর গোপালগঞ্জ। আজ থেকে প্রায় শতাব্দীকাল পূর্বে শহর বলতে যা বুঝায় তার কিছুই এখানে ছিলোনা। এর পরিচিতি ছিলো শুধু একটি ছোট্ট বাজার হিসেবে। এঅঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রানী রাসমণির এলাকাধীন ছিলো। উল্লেখ্য রানী রাসমণি একজন জেলের মেয়ে ছিলেন। সিপাই মিউটিনির সময় তিনি একজন উচ্চ পদস্থ ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার হিসাবে বৃটিশ সরকার রাসমণিরকে মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদারী প্রদার করেন এবং তাঁকে রানী উপাধিতে ভূষিত করেন। রানী রাসমণির এক নাতির নাম ছিলো নব-গোপাল তিনি তাঁর স্নেহাস্পদ নাতির নাম এবং পুরানো ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নাতিন নামের ‘গোপাল’ অংশটি প্রথমে রেখে তার সাথে রাজগঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে এ জায়গাটির নতুর নামকরণ করেন গোপালগঞ্জ। ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়।
বিখ্যাত স্থান:
মধুমতি নদী,
খানার পাড় দীঘি,
বিলরুট ক্যানেল,
ধর্মরায়ের বাড়ি,
আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি,
শুকদেবের আশ্রম,
উলপুর জমিদারবাড়ি,
শ্রীধাম ওড়াকান্দি,
ননীক্ষীরে নবরত্ন মঠ,
হেরন কান্দির আমগাছ,
হরিণাহাটির জমিদার বাড়ী,
দিঘলীয়া দক্ষিণা কালী বাড়ী,
সেন্ট মথুরানাথের সমাধি,
উজানীর জমিদার বাড়ী,
জগদান্দ মহাশয়ের তীর্থভূমি,
দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি,
চন্দ্রা ভর্মা ফোর্ট (কোটাল দুর্গ),
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিকবাড়ী,
৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ),
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি কমপ্লেক্স,
বহুতলী মসজিদ (১৫৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত),
ঐতিহাসিক রমেশ চন্দ্র মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ী,
রাজা সমাচার দেব, ধর্মাদিত্য ও গোপচন্দ্রের আমলের তাম্রলিপি,
কবি কৃষ্ণনাথ সর্বভৌম (ললিত লবঙ্গলতা কাব্যগন্থের প্রণেতা)-র বাড়ী,
সত্য ধর্মের প্রবর্তক দীননাথ সেনের সমাধিসৌধ (জলিরপাড়, মুকসুদপুর)।
খানার পাড় দীঘি,
বিলরুট ক্যানেল,
ধর্মরায়ের বাড়ি,
আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি,
শুকদেবের আশ্রম,
উলপুর জমিদারবাড়ি,
শ্রীধাম ওড়াকান্দি,
ননীক্ষীরে নবরত্ন মঠ,
হেরন কান্দির আমগাছ,
হরিণাহাটির জমিদার বাড়ী,
দিঘলীয়া দক্ষিণা কালী বাড়ী,
সেন্ট মথুরানাথের সমাধি,
উজানীর জমিদার বাড়ী,
জগদান্দ মহাশয়ের তীর্থভূমি,
দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি,
চন্দ্রা ভর্মা ফোর্ট (কোটাল দুর্গ),
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিকবাড়ী,
৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ),
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি কমপ্লেক্স,
বহুতলী মসজিদ (১৫৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত),
ঐতিহাসিক রমেশ চন্দ্র মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ী,
রাজা সমাচার দেব, ধর্মাদিত্য ও গোপচন্দ্রের আমলের তাম্রলিপি,
কবি কৃষ্ণনাথ সর্বভৌম (ললিত লবঙ্গলতা কাব্যগন্থের প্রণেতা)-র বাড়ী,
সত্য ধর্মের প্রবর্তক দীননাথ সেনের সমাধিসৌধ (জলিরপাড়, মুকসুদপুর)।

Nice
ReplyDelete